২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী

একদিকে স্বামীর দাফন অন্যদিকে স্ত্রীর হাতে কড়া

জানুয়ারি ১৫, ২০১৮, সময় ৫:০৭ অপরাহ্ণ

মুন্সীগঞ্জের সদরের পূর্ব শীলমন্দির গ্রামের সৌদি প্রবাসী দীন ইসলাম (৩৫) হত্যার প্রধান আসামি স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন রুনাকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব শীলমন্দির শ্বশুরবাড়ি থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, সোমবার বেলা ১১টায় শীল মান্দির স্কুল মাঠে জানাজা শেষে প্রবাসী দীন ইসলামের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রবাসী দীন ইসলামেরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে শাহবাগ পুলিশের সহায়তায় নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মঞ্জুর হোসেন জানান, সোমবার সকালে পূর্ব শীলমান্দি গ্রামের দীন ইসলামের বাড়ি থেকে স্ত্রী রুনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাসিরনগর থানা পুলিশ আসলে তাদের কাছে আসামিকে হস্তান্তর করা হবে।

নাসির নগর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাদন চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি রুনাকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। রুনাকে নাসিরনগর থানায় আনার প্রস্ততি নিচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে শনিবার একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদী নিহতের চাচা শাহ আলম জানান, ১০ বছর আগে ভাতিজা দীন ইসলামের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। পরে তাদের সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। গত এক বছর ধরে রুনার সঙ্গে দীন ইসলামের ঝগড়া চলছিল। এ অবস্থায় রুনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এরই মধ্যে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে ভাতিজা দীন ইসলাম বাংলাদেশে আসে এবং গত ১০ জানুয়ারি স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যায়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি ১১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীন ইসলামের মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে তাকে সিলেটের হবিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে দীন ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে সেখান থেকে ভাতিজার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের এ সংবাদ দিয়ে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়ে।

মেয়ের রুমে অন্যরকম শব্দ শুনে বাবা যখন মেয়ের রুমে গেল, তখন ঘটল ভয়ঙ্কর কাণ্ড

একটা সময় ছিল যখন মানুষ অন্যের জন্যে নিজের জীবন দিতে তৈরি হয়ে যেত ।আর আজ কালকার দিনে নিজের রক্তের মানুষকে বিশ্বাস করা খুব কঠিন হয়ে গেছে ।

আর আমাদের সামনে এমন কিছু ঘটনা মাঝে মাঝে এসে পড়ে যা দেখার পর নিজের সম্পর্কের উপর বিশ্বাস করা খুব কঠিন হয়ে যায় ।আর বাবা আর মেয়ের সম্পর্কে নিয়ে কোন কিছু বলার দরকার থাকে না ।

এটি সব থেকে পবিত্র সম্পর্ক ।আর এই সম্পর্ক সব থেকে শক্তি শালী সম্পর্ক ।আর একজন বাবা তার মেয়ের জন্যে সব কিছু করতে রাজি ।

আর আজকাল কার দিনে একজন মেয়ে তার বাবার সাথে এমন কাজ করতে পারে যা জানার পর বিশ্বাস হবে না । আজ কালকার এই কলিযুগে একজন মেয়ে তার বাবার সাথে যা কাজ করল জানলে আপনি তা বিশ্বাস করতে পারবেন না ।

ভারতের নইডা আট্টাতে এক মেয়ে আর তার বয়ফ্রেন্ড মিলে নিজের বাবা কে মেরে ফেলল ।

আর এই সব কিছু আজ আমরা আপনাদের বলব ।রবিবার মেয়ের বাবাকে খুব খারাপ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল ।আর সোমবার তার চিকিতসা করার সময় তার মৃত্যু হয়ে যায় ।

আর তার মারা যাবার পর তার স্ত্রী তার নিজের মেয়ে এবং তার বয়ফ্রেন্ডের বিরুদ্ধে পুলিশে কেজ করে । ভারতের উত্তরপ্রদেশের বস্তী নামক জেলায় বিশ্বনাথ সাহু পরিবার নিয়ে বাস করত।

বিশ্বনাথ বাবু বাড়ির ছাদ ফেলে পড়ে যায় । তারপর তারদের পাশের বাড়ির লোকের সহযোগিতায় দিল্লির একটি হাসপাতেলে ভর্তি করেছিল ।

তার সোমবার মৃত্যু হয়ে যায় । তার স্ত্রী পুলিশের কাছে গিয়ে মামলা করে এবং তিনি জানান যে ভোর ৪টার সময় যখন তার স্বামী নিজের মেয়ের রুম থেকে আজব শব্দ শুনতে পান, তারপর তার রুমে যান ।

শব্দ শুনে যখন বিশ্বনাথ তাদের রুমে গেল দেখল তার মেয়ের বয়ফ্রেন্ড ধরমেন্দ্র তার মেয়ের রুমে ছিল এবং তারা দুজনে আপত্তিজনক অবস্থায় ছিল ।

মেয়েকে এই অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করলে ধর্মেন্দ্র তাকে মারতে শুরু করে এবং ওনার মেয়েও। দুজনে মিলে যখন তাকে মারছিল তখন বিশ্বনাথ ৩ তলা থেকে নীচে পড়ে যায় ।

তারপর তারদের পাশের বাড়ির লোকের সহযোগিতায় দিল্লির একটি হাসপাতেলে ভর্তি করেছিল ।