২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৫ই জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী

একমাস পর রাজপথ ২০ দলীয় জোটের দখলে চলে আসবে ইনশাল্লাহ: পার্থ

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮, সময় ১২:৩৩ অপরাহ্ণ

চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকলে আগামী একমাস পর দেশের রাজপথ ২০ দলীয় জোটের দখলে থাকবে বলে দাবি করেছেন জোটের শরিক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির অনশনে অংশগ্রহণ করে তিনি এ কথা বলেন।

জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘আর একটু ধৈয্য ধরুন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করুন। একমাস পর রাজপথ আমাদের (২০ দলীয় জোট) দখলে চলে আসবে ইনশাল্লাহ।’

সরকারের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে পার্থ বলেন, ‘আদালতের কলমের খোঁচা দিয়ে খালেদা জিয়াকে জেলে বন্দী রাখা যাবে না। খালেদা জিয়া আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী।’

এদিন সকাল ১০টা থেকে অনশন শুরু করেন বিএনপি ও দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুরুতেই কয়েক হাজার নেতাকর্মী এতে যোগ দিয়েছেন। পরে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও যোগদেন। এ অনশন কর্মসূচি চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত আছেন।

২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকলে আগামী একমাস পর দেশের রাজপথ ২০ দলীয় জোটের দখলে চলে আসবে।

জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘আর একটু ধৈয্য ধরুন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করুন। একমাস পর রাজপথ আমাদের (২০ দলীয় জোট) দখলে চলে আসবে ইনশাল্লাহ।’

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির অনশনে অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ১০টা থেকে অনশন শুরু করেন বিএনপি ও দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুরুতেই কয়েক হাজার নেতাকর্মী এতে যোগ দিয়েছেন। পরে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। এ অনশন কর্মসূচি চলবে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত।

সরকারের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে পার্থ বলেন, ‘আদালতের কলমের খোঁচা দিয়ে খালেদা জিয়াকে জেলে বন্দী রাখা যাবে না। খালেদা জিয়া আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী।’

অনশন কর্মসূচীতে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ছাড়াও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল করিম, ন্যাপ-ভাসানীর মহাসচিব গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়নাল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূইয়া, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, তথ্য ও গভেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান প্রমুখ।