সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা আদায়কে চাঁদাবাজি বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে কাউকে জোরপূর্বক বা চাপ প্রয়োগ করে অর্থ দিতে বাধ্য করা হলে সেটিকে চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতে বিভিন্ন সংগঠন বা সমিতির মাধ্যমে নির্ধারিত কিছু ফি বা অনুদান আদায় করা হয়ে থাকে যা সেইসব কমিটির কল্যাণে ব্যয় করা হয়। যদি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এ ধরনের অর্থ লেনদেন হয়, তাহলে সেটিকে অপরাধ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। কিন্তু কেউ যদি ভয়ভীতি দেখিয়ে, জবরদস্তি করে বা চলাচলে বাধা দিয়ে অর্থ আদায় করে, তাহলে তা অবশ্যই আইনত দণ্ডনীয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সরকারের অগ্রাধিকার। চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে সড়কে বিভিন্ন নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ি থামিয়ে টাকা নেওয়া হচ্ছে, যা তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে এবং এ কারণে যাত্রীদের থেকে ভাড়াও বেশি নিতে হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অনিয়ম, জবরদস্তি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, সড়ক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শও দেন তিনি।

