ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১২ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনের দিন কিছু কিছু সেবার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মোটরসাইকেল চলাচল গতকাল (১০ই ফেব্রুয়ারি) রাত থেকেই বন্ধ হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলসহ পাঁচ ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে নির্বাচনের দিন।
তবে, রাজধানীতে এখানো মেট্রোরেল চালু আছে এবং নির্বাচনের দিনও চালু থাকবে। যানবাহনের উপর নিষেধাজ্ঞার সাথে বিকাশ, নগদ, এবং রকেটের মত মোবাইল ফ্যাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস লেনদেনে ক্যাশআউটের মত কিছু সেবা বন্ধ বা সীমিত রাখা হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনের দিন বহিরাগতরা নির্বাচনি এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না একারণে পর্যটন ব্যবসায়ীরাও নির্বাচনের দিন পর্যটন সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সরকারের সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। তাঁরা মনে করেন, এইসব সেবা বন্ধ করার মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখতে সক্ষম হবেন।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১১ই ডিসেম্বর এবং ১২ই ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বড় বড় সব দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এবং শপিং মল বন্ধ থাকবে।
৭২ ঘন্টার জন্য মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ইসির স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল চলতে কোনো বাধা থাকবে না। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃ্হস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস এবং ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন।
তবে, ভোট দেওয়ার জন্য ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন ভোটাররা। ভোটারদের সুবিধার্থে স্বাভাবিক সময়সূচির বাইরেও মেট্রোরেল চালু রাখা হবে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টদের জন্যও সুযোগ থাকবে একটি করে ছোট জিপ, কার, বা মাইক্রোবাস ব্যবহার করার। কিন্তু সেটা অবশ্যই রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদিত হতে হবে এবং নির্ধারিত স্টিকারযুক্ত হতে হবে।

