নির্বাচনের একদিন পর দেশত্যাগের পর টেলিযোগাযোগ খাতে নিজের ভূমিকা ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ় তাইয়েব আহমেদ। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, দায়িত্ব পালনকালে টেলিকম খাতে নতুন কোনো লাইসেন্স অনুমোদন না দেওয়ায় বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

এর আগে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরদিন দেওয়া পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, টেলিযোগাযোগ খাতে লাইসেন্স প্রদানই দুর্নীতির অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কোনো নতুন লাইসেন্স অনুমোদন করেননি, ফলে এ খাতে অনিয়মের সুযোগও তৈরি হয়নি।

ফাইজ় তাইয়েব আহমেদ দাবি করেন, লাইসেন্স না দেওয়ার সিদ্ধান্তে “বহু দলের বহু লোক” নাখোশ হয়েছেন। প্রয়োজনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবেন বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি কঠোর ভাষায় সমালোচকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দেন, যদিও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ করেননি।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কটাক্ষের পরিবর্তে তার কাজ ও নীতিগত সংস্কার নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হওয়াই বেশি ফলপ্রসূ হবে। টেলিকম ও আইসিটি খাতে তার সময়ে প্রণীত আইন ও নীতিমালা পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সংস্কার কার্যক্রমে তার টিম এবং অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।
তিনি দাবি করেন, গভীর পর্যালোচনা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় রেখে নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে খাতটির জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তি তৈরি করবে।

