রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে লিলিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে, সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসঙ্গত, নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।

