ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় গরু চুরিকে কেন্দ্র করে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) সঙ্গে অভিযুক্ত চোরের যোগাযোগের অভিযোগ উঠায় সেই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় উক্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার দশানি গ্রামের এক বাসিন্দা মানিক মিয়ার গরু চুরি হলে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন আলাল মিয়ার বাড়ি থেকে গরুটি উদ্ধার করেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।
ঘটনার পর অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, কলে ও ইমোতে মেসেজের মাধ্যমে তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল এবং চুরির আগেও ওই পুলিশ সদস্যকে অবহিত করা হয়েছিল। এমনকি চুরির সময় কোনো সমস্যা হলে সহযোগিতা করার অনুরোধও করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন, অতীতে মাদক চোরাকারবারিতে জড়িত থাকার সময় থেকেই ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তার পরিচয়। পরবর্তীতে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় থাকে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট এএসআই। তার দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনি চেনেন না এবং কোনো অপরাধমূলক কাজে সহযোগিতা করার প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে এবং পুলিশের সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

