ডাইনোসর গেছে অবিশ্বাস্য জগতে, টিকে আছে পিঁপড়ে
কল্পনা করুন তো এমন একটি সভ্যতার, যারা সংখ্যায় মানুষের চেয়ে দেড় মিলিয়ন গুণ বেশি। এরা একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত সমাজব্যবস্থা পরিচালনা […]
কল্পনা করুন তো এমন একটি সভ্যতার, যারা সংখ্যায় মানুষের চেয়ে দেড় মিলিয়ন গুণ বেশি। এরা একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত সমাজব্যবস্থা পরিচালনা […]
বাস্তবতা যেমন শব্দের সৃষ্টি করে, তেমনি শব্দও বাস্তবতার দিকে নিয়ে যায় বা বাস্তবতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শেখায়। ‘শব্দের রাজনীতি
‘এক্সটরশন’ বা ‘চাঁদাবাজি’ শব্দ কানে আসা মাত্রই এক ধরনের জোরজবরদস্তি ও অন্যায্য দাবির ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। এটি কেবল অর্থ বা সুবিধা দাবি করা নয়; বরং এর সঙ্গে মিশে আছে বলপ্রয়োগ ও অনৈতিকতার এক রূঢ় বাস্তবতা। ইতিহাসের পরতে পরতে তাকালে দেখা যায়, এই শব্দ ক্ষমতা প্রদর্শন আর শোষণের বিরুদ্ধে মানবসমাজের চিরন্তন উদ্বেগেরই এক প্রতিচ্ছবি। চাঁদাবাজির উৎস সন্ধানের অর্থ কেবল এর ভাষাগত বিবর্তন জানা নয়; বরং সময়ের আবর্তে আইন, নৈতিকতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের যে জটিল রূপান্তর ঘটেছে, তাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করা। চাঁদাবাজির ইতিহাস অনুসন্ধান এক্সটরশন শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘এক্সটরশিও’ থেকে, যা মূলত ‘এক্সটরকোয়েরে’ ক্রিয়াপদ থেকে উদ্ভূত। এর আক্ষরিক অর্থ হলো—নিংড়ে বের করা বা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া। এই ক্রিয়াপদ আবার দুটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত—‘এক্স’, যার অর্থ ‘বাইরে’ এবং ‘টরকোয়েরে’, যার অর্থ ‘নিংড়ানো’। শুরুর দিকে এই শব্দ মূলত হুমকি বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কিছু—সাধারণত অর্থ বা সম্পত্তি—জোরপূর্বক আদায় করাকে বোঝাত। চতুর্দশ শতাব্দীর দিকে এক্সটরশন শব্দটি মিডল ইংলিশে (ইংরেজি ভাষার ঐতিহাসিক পর্যায়, যা আনুমানিক ১১৫০ থেকে ১৫০০ সাল পর্যন্ত প্রচলিত) প্রবেশ করে এবং অন্যায্য বলপ্রয়োগের সঙ্গে এর দৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর ব্যবহার আইনি এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত হয়; যা ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ বা অনৈতিকভাবে সম্পদ অর্জনকে সংজ্ঞায়িত করে। চাঁদাবাজির সাংস্কৃতিক যাত্রা ইতিহাসজুড়ে সাহিত্য, আইন এবং সংবাদমাধ্যমে এক্সটরশন বা চাঁদাবাজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ধ্রুপদী সাহিত্যে প্রায়ই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হতে দেখা যায়; যা শোষণ বনাম ন্যায়বিচারের প্রশ্নকে আরও জোরালো করে। সংগঠিত অপরাধের আলোচনায়ও এই শব্দ বারবার আসে; যেখানে ক্ষমতা দখল এবং আর্থিক লাভের জন্য চাঁদাবাজিকে একটি সাধারণ কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আজকাল সিনেমা বা নাটকে আমরা প্রায়ই দেখি, কীভাবে
মাত্র সাত মাসের জীবনে ছোট্ট বানর পাঞ্চের জীবনে অনেক কিছুই ঘটেছে। জন্মের পর মায়ের প্রত্যাখ্যান থেকে শুরু করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড় তোলা—কোনোকিছুই যেন বাদ নেই। জাপানের ইচিকাওয়া চিড়িয়াখানার পাঞ্চকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলো তার প্রজাতি জাপানিজ ম্যাকাক সম্পর্কে মানুষের মধ্যে প্রবল কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। মা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর চিড়িয়াখানার রক্ষকরা পাঞ্চকে একটি ওরাংওটাং-এর পুতুল দিয়েছিল। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ বার ভিউ হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, পাঞ্চ পুতুলটিকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে আছে, যখন অন্য বানররা তার প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ করছে অথবা তাকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এবং দর্শনার্থী—উভয় পক্ষই এই ভিডিওগুলো শেয়ার করেছেন। পাঞ্চ যখন ইন্টারনেটে পরিচিতি পায়, তখন থেকে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তার খবর দিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, বাচ্চা বানরটি ধীরে ধীরে নিজের দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পথে এগোচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, পাঞ্চ ‘তার পুতুল ছাড়াই অন্য ছোট বানরদের সঙ্গে খেলাধুলা করেছে।’ পাঞ্চের মা কেন তাকে ত্যাগ করল ভিয়েনার ইউনিভার্সিটি অব ভেটেরিনারি মেডিসিনের গবেষক আন্তোনিও
রাজধানীর মহাখালীতে পর্যটন করপোরেশনের ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। সম্প্রতি ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল, একটি কক্ষে পরীক্ষা চলছে। পাচকের