বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো, জনবল ও সেবা কার্যক্রম নিয়ে গবেষণা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হবে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (বিআইডিএস), এমনটাই জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আন্তর্জাতিক এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে গবেষণার সুপারিশের ভিত্তিতেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও জনবান্ধব করা হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত পণ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি, জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ ও জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে, আর বিদ্যমান সেবাগুলোও পর্যায়ক্রমে আনা হবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।
কোনো প্রতিষ্ঠানের আকার বা পরিচিতি নয়, মানুষের জীবনে তার কার্যক্রমের বাস্তব প্রভাবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে তিনি বলেন, সেই বিবেচনাতেই দেশের ১৭ থেকে ১৮ কোটি মানুষের ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় এই অধিদপ্তরের কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি। একজন মানুষ যাতে কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে ভেজাল, নিম্নমানের বা ক্ষতিকর পণ্য কিনতে বাধ্য না হন, তা নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, খুব শিগগিরই বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে, যার মাধ্যমে ভোক্তারা অধিদপ্তরের সেবা আরও সহজে ও কার্যকরভাবে পাবেন।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, আর উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফও। সভায় আলোচনা হয় অধিদপ্তরের বর্তমান কার্যক্রম, প্রযুক্তির ব্যবহার, জনবল কাঠামো, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ভোক্তা সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে।
তথ্যসূত্র: বাসস

