ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার সংঘাতের মধ্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়কে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)। এই হামলায় নেতানিয়াহুর কার্যালয় সরাসরি এবং ভয়াবহভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে ইরানি পক্ষ দাবি করলেও, ইসরাইলি সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই নিশ্চিত করেনি, ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি রহস্যময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, তাদের সশস্ত্র বাহিনীর এই অভিযানে ‘খায়বার’ নামক অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আইআরজিসি সূত্রে জানা গেছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অফিস এবং একইসাথে ইসরায়েলের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের বাসভবন। ইরান দাবি করেছে, এই হামলায় লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্ট ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি ইসরায়েল। নেতানিয়াহুর অবস্থার কোনো নিশ্চিত তথ্য না পাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অনিশ্চয়তা যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
গত সপ্তাহে ইরান, মার্কিন এবং ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান থেকে ব্যাপক প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু হয়। সোমবার পর্যন্ত ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে মোট দশ দফা হামলা চালিয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল শুধু ইসরাইল ধর্মীয় ভূখণ্ডই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে স্থাপিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও। ইরান এই দশম দফার হামলাকে পূর্বের তুলনায় আরও শক্তিশালী বলে দাবি করেছে।

