তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটিয়ে সুন্দরবনে আবার প্রবেশাধিকার পাচ্ছেন পর্যটক, জেলেদের পাশাপাশি বাওয়ালি এবং মৌয়ালরা। এই উন্মোচনের মাধ্যমে বনটি আবার জীবন্ত হয়ে উঠছে।
গত তিন মাস যাবত সুন্দরবন সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ ছিল। এই সময়কালে বিভিন্ন কারণে বিশেষজ্ঞরা ঐতিহ্যবাহী ম্যানগ্রোভ বনটিকে সীমিত করে রেখেছিলেন। তবে এখন সেই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবনের অর্থনৈতিক জীবন প্রধানত পর্যটন, মৎস্য সম্পদ এবং মধু সংগ্রহের উপর নির্ভর করে। নিষেধাজ্ঞার সময় এই তিন খাতই আক্রান্ত ছিল। এখন পর্যটন ব্যবসায়ীরা আবার পর্যটক আকৃষ্ট করতে পারবেন এবং জেলেরা মাছ ধরতে পারবেন। একই সাথে মৌয়ালরা মধু সংগ্রহের কাজে ফিরতে পারছেন।
স্থানীয় জীবিকা নির্ভর সম্প্রদায়গুলির জন্য এই উন্মোচন একটি স্বস্তির বিষয়। গত তিন মাসে তারা তাদের আয়ের উৎস হারিয়েছিল, যা তাদের আর্থিক কষ্ট বৃদ্ধি করেছিল। এখন সেই কষ্ট কাটিয়ে উঠে তারা আবার তাদের পেশায় ফিরে যেতে পারবেন।
সুন্দরবন, যা বাঘের আবাসস্থল হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত, এখন আবার ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

