চট্টগ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে সাংগঠনিক সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে অভিযোগ উঠলে তা দলের ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে। তবে এ ধরনের ঘটনায় অভিযোগের বিষয়বস্তু এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সিদ্ধান্তের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি।
অভিযুক্ত নেতা হলেন মো. ইসমাঈল। তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার পরিবর্তে অধ্যাপক জসিম উদ্দিনকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ খায়রুল বাশার। তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর দলীয়ভাবে ইসমাঈলকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক জসিম উদ্দিন। তবে ইসমাঈলের পরিবর্তে তাকে কেন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইসমাঈলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি

