বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সম্ভাব্য সর্বোচ্চ খরচ আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা নির্ধারণের বিষয়ে সরকার আলোচনা করছে, তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মধ্যকার এক বৈঠকে এই প্রস্তাবনা উঠে আসে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে। এর মধ্যে প্রথম ২ থেকে ৩টি ফ্লাইটের কর্মীরা সম্পূর্ণ বিনা খরচে (কোনো অভিবাসন ব্যয় ছাড়া) দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য মেডিকেল চেকআপ বা চিকিৎসা পরীক্ষার ফি ৮,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এর অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়া যাবে না।
বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় চূড়ান্ত অভিবাসন ব্যয় এখনও পাস হয়নি। এছাড়া মালয়েশিয়ার সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় চুক্তির কারণে বাংলাদেশ একতরফাভাবে এটি নির্ধারণ করতে পারে না।
সরকার খরচ ৩ লাখ টাকার মধ্যে রাখার চেষ্টা করলেও মাঠপর্যায়ে দালালরা ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই যেকোনো আর্থিক লেনদেনের আগে সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা জরুরি।

