বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রথম মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। শুক্রবার (১৩ মার্চ) জিয়া উদ্যানে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার রাজনৈতিক জীবন মূলত আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে পুনরুদ্ধারে তিনি বারবার নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোর অনেক ক্ষেত্রেই খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দাবি করেন, দেশের স্বার্থ রক্ষায় এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য খালেদা জিয়া আমৃত্যু রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মনে করেন, রাজনীতিতে সাহস, দেশপ্রেম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক হিসেবে খালেদা জিয়ার নাম উল্লেখযোগ্য। তার মতে, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার অবদান আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারদের বিষয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে, অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ফ্যাসিবাদের ১৮ বছরে, সেই বিষয়গুলোকে আমরা নিশ্চয়ই অ্যাড্রেস করব। রাজাকারের তালিকাতে অনেক সত্যিকারে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছে। এই বিষয়টাও আমরা অ্যাড্রেস করব। কেবলই দায়িত্ব পেয়েছি। মন্ত্রণালয়ে বসব। সবার সহযোগিতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটা একটা করে কাজ করব নিষ্ঠার সঙ্গে।”

