সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ভাইরাল একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধান থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে সংসদ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এমন ব্ক্তব্যকে পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
উচ্চ আদালত ইতোমধ্যে সংবিধানের কিছু অংশ অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। বাকি অংশগুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সংসদের হাতে রয়েছে। বিশেষ করে সংবিধানের কয়েকটি তফসিল নিয়ে পুনর্বিবেচনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ইতিহাস ও স্বাধীনতার ঘোষণাসংক্রান্ত বিষয়গুলো রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, সংসদই সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় এটি বাদ দেওয়ার চিন্তা বিতর্কিত ও সংবেদনশীল।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন বক্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, যদি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা না করা হয়। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, সংবিধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিতে পরিবর্তন আনতে হলে তা হতে হবে সুপরিকল্পিত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ইস্যুতে নানা মতামত ও প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে, যা বিষয়টির গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতাকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

