পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪টি জেলায় উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক পরিবর্তন আসবে। শুক্রবার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পানিসম্পদমন্ত্রীর মতে, এই প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছাড়াও মৎস্য ও কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পাবে যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। তিনি বলেন, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজবাড়ীতে গিয়ে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।
প্রকল্পটির ইতিহাস বলতে গিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালে এর সমীক্ষা করেছিলেন। দীর্ঘ ২২ বছর পর ২০২৬ সালে এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি থেকে অনুমোদন পায়। গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ প্রকল্প স্বীকৃতি লাভ করে।
প্রকল্পের অনুমানিত খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী বর্তমান সরকারের সাফল্যের সাথে যুক্ত করেন, বিশেষত খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উল্লেখ করে যা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতা।
এই অনুষ্ঠানে সরকারের প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

