পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে দেশটির ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমস ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। লাহোরে বৃহস্পতিবার এই জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন হয়েছে।
ইংল্যান্ড ভ্রমণে পাকিস্তান দল লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে পরাজিত হওয়ার পর সাত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। রিজওয়ান ও ইমাম ছিলেন সেই বাদ পড়া দলের দুজন খেলোয়াড়। এনসিসিআইএর পক্ষ থেকে তাঁদের উভয়কেই তলব করা হয়েছিল, যদিও কমপক্ষে একজন সেখানে কয়েক ঘণ্টা ছিলেন বলে জানা যায়।
তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ পায়নি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সম্প্রতি শৃঙ্খলা ও আচরণ সংক্রান্ত মিডিয়া প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে, তবে তখন কোনো ক্রিকেটারের নাম উল্লেখ করা হয়নি। এনসিসিআইএর তদন্তটি পিসিবির নিজস্ব প্রক্রিয়ার সাথে সংযুক্ত কি না, তা অস্পষ্ট রয়েছে।
রিজওয়ান ইংল্যান্ড সফরে ব্যাটিংয়ে খুবই দুর্বল পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। প্রথম দুই টেস্টের চার ইনিংসে তিনি মাত্র ১২, ৪১, ৭ এবং ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও তাঁর ব্যাটিং উল্লেখযোগ্য ছিল না। তবে উইকেটকিপার হিসেবে তিনি অবদান রেখেছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের টেস্ট ক্রিকেটে তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন।
ইমামের পরিস্থিতি ভিন্ন ধরনের। লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে তিনি বাঁ পায়ের মাংসপেশিতে গ্রেড ওয়ান চোট পান। এই আঘাতের কারণে পাকিস্তানের দুই ইনিংসের কোনোটিতেই তিনি খেলতে পারেননি। ম্যাচের শেষ দিন সকালে অনুশীলনে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন।
পিসিবির প্রধান নির্বাচক ও হাই পারফরম্যান্স বিভাগের পরিচালক আকিব জাভেদ এ ঘটনাগুলো নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তদন্তের কথা জানিয়েছেন। ইংল্যান্ড সফরে এত বেশি ক্রিকেটার বাদ দেওয়ার বিষয়ে পিসিবি চেয়ারম্যান শুধুমাত্র দল-মঞ্চের পারফরম্যান্স কমই ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।

