ভারত ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করে জামায়াত দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, জামায়াতের একের পর এক লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা এই ষড়যন্ত্রেরই অংশ, এবং আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফেরানোর অপচেষ্টাও চালাচ্ছে দলটি।
শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ শেষে ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী জানান, ভারতের একের পর এক অনুরোধ সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনো দেশটি সফরে যাননি। তার ভাষ্যে, পলাতক শেখ হাসিনা ও শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাবেন না।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটকে জাতীয় সমস্যা আখ্যা দিয়ে রাশেদ খান বলেন, এ সংকট মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও গঠনমূলক ভূমিকা প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে বিরোধী দল গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটকে অজুহাত বানিয়ে লংমার্চের কর্মসূচি নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি এবং প্রশ্ন তোলেন, লংমার্চ করে আদৌ এই সংকটের সমাধান হবে কি না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত, আর দলটির আমিরের বক্তব্য ও আওয়ামী লীগের ভাষা একই সূত্রে গাঁথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান রাশেদ খান। এ সময় ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের জনবল সংকট নিরসন এবং স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
পরে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বার্তা দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক এম শাহজাহান আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সমীনুজ্জামান সমীন, বর্তমান সভাপতি ইমরান হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

