বল হাতে ৭ উইকেট নিলেও শেষরক্ষা হলো না ব্যাটে, ডার্বিশায়ারের কাছে ১৮১ রানে হারল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টুতে চার দিনের ম্যাচে ডার্বিশায়ারের কাছে ১৮১ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে কেন্ট। ডার্বিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে জিততে হাসান মাহমুদের দলের দরকার ছিল ৪৩৪ রান, তবে ৩৮ রানের মধ্যেই প্রথম পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসলে জয়ের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় কেন্টের। তখন হাতে থাকা একমাত্র পথ ছিল, যেকোনোভাবে ম্যাচ ড্র করা।
সেই লক্ষ্য নিয়েই গতকাল ১০ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন বাংলাদেশি পেসার হাসান, তখনো দিনের খেলা বাকি ছিল ২২ ওভার। বার্টি ফোরম্যানকে সঙ্গে নিয়ে ১০৫ বলে ৩৩ রানের একটি জুটি গড়ে দলকে ড্রয়ের দিকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি। তবে দলীয় ২৫১ রানের মাথায়, দিনের তখনো ২৭ বল বাকি থাকতে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ফোরম্যান। তার জায়গায় নামেন আরেক বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদ। এই জুটি যদি দিনের বাকি সময়টুকু টিকে যেতে পারত, সেটাই হতো কেন্ট ও দুই বাংলাদেশির জন্য বড় স্বস্তির খবর। কিন্তু দিনের ১৫ বল বাকি থাকতে ব্রেট রানডেলের একটি বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাসান, শেষ হয় ৪৮ বলে ৯ রানের তার লড়াকু ইনিংস।
এই ম্যাচ ড্র করতে পারলে কেন্টের জন্য সেটা জয়ের সমান তাৎপর্যই বহন করত, কারণ তাতে ডিভিশন টুর পয়েন্ট তালিকায় দুই নম্বরে উঠে যেত দলটি। বর্তমানে দুই ম্যাচ হাতে রেখে ১৭৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিনে আছে কেন্ট, যেখানে শীর্ষ দুইয়ে থাকা ডারহামের পয়েন্ট ২৩০ ও নর্থহ্যাম্পটনশায়ারের ১৭৫। ডিভিশন ওয়ানে ওঠার সুযোগ পায় কেবল শীর্ষ দুই দল। চলতি মৌসুমে এটি কেন্টের দ্বিতীয় হার।
তবে এই হারের দায় হাসানের ওপর বর্তায় না, কারণ ম্যাচ বাঁচানোর মূল দায়িত্ব ছিল দলের ব্যাটসম্যানদের। বল হাতে নিজের কাজটা আগেই দারুণভাবে সেরে রেখেছিলেন তিনি, পুরো ম্যাচে নিয়েছেন ৭ উইকেট। সেই হিসেবে ব্যাট হাতে তার ৪৮ বল টিকে থাকাটা কেন্টের জন্য এক ধরনের বাড়তি প্রাপ্তিই।
কেন্টের হয়ে এ পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে হাসানের মোট উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬টিতে। অন্যদিকে অভিষেক ম্যাচে খালেদ পেয়েছেন ৩ উইকেট, সবগুলোই প্রথম ইনিংসে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ল্যাঙ্কশায়ারের বিপক্ষে মাঠে নামবে কেন্ট।

