মেঘনা আলম ও আম তারেকের জামানত বাজেয়াপ্ত!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো। ভোটগ্রহণ গতকাল বৃ্‌হস্পতিবার (১২ই ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭:৩০ থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত চলে। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বেসরকারিভাবে ফলাফল আসতে শুরু করে। এখন পর্যন্ত ২৯৬টি আসনে বেসরকারিভাবে ফলাফলও চলে এসেছে। প্রায় ২০০০ প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। অবশেষে মাত্র ৩০০ জন জয়ী হবেন। কিন্তু পরাজিত প্রার্থীরা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটের চেয়ে কম পেলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হতে পারে।

গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে প্রার্থীতা করেন মেঘনা আলম। এ আসনের আলোচিত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস এবং এনসিপির প্রার্থী নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। ভোট গণনার নাটকীয়তা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এই আসনে। নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে খুব কাছে এসেও হেরে যান। রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মেঘনা আলম এই আসন থেকে ট্রাক প্রতীকে মোট ৬০৮টি ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, আমজনতা দলের হয়ে ঢাকা-১২ আসনে প্রার্থীতা করা দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমানের প্রতীক ছিল প্রজাপতি। এই আসনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তারেক পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৪৪ ভোট। এই আসনে বাতিল হওয়া ভোটও (২ হাজার ৪৪৪টি) তার মোট ভোট প্রাপ্ত থেকে বেশি। উল্লেখ্য, এই আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়তে ইসলামী মনোনীত সাইফুল আলম।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জারিকৃত পরিপত্রে দেখা যায়, কোনো সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী তার নির্বাচনী আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোটও না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। ইসি কর্তৃক জামানত হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে প্রত্যেক প্রার্থী থেকে। তারেক রহমান এবং মেঘনা আলম দুইজনই মোট প্রদত্ত ভোটের ১২.৫% (আট ভাগের এক ভাগ) এর থেকে অনেক কম ভোট পেয়েছেন। তাই ইসির পরিপত্র মোতাবেক তাদের দুইজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top