জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাদের কোরবানির পশুর সংখ্যা এবং অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সাবেক গণঅধিকার পরিষদ নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।
শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কোরবানির পশুর সংখ্যা ও ব্যয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকলেও তা নিয়ে সমানভাবে আলোচনা হচ্ছে না। তার ভাষায়, “জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।”
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, নুরুল ইসলাম বুলবুল ৬৫টি গরু কোরবানি করেছেন বলে জানা গেছে। একইভাবে নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি প্রার্থী মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ১০০টি গরু কোরবানি দিয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী ৬টি গরু কোরবানি দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার অর্থের উৎস নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের দ্বৈত মানদণ্ড কাজ করছে। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যেভাবে আলোচনা ও সমালোচনা হয়, জামায়াত বা এনসিপির নেতাদের ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রশ্ন খুব কমই তোলা হয়।
পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনকালীন ব্যয় এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন দলের মধ্যে ব্যয়ের পার্থক্য রয়েছে। এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
তবে রাশেদ খাঁনের উত্থাপিত দাবিগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া তিনি তার পোস্টে যে তথ্য ও অভিযোগ তুলে ধরেছেন, সেগুলোর পক্ষে কোনো প্রামাণ্য তথ্য বা নথি উপস্থাপন করেননি।

