রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের হাতে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান শাপলাকলি প্রতীক তুলে দেন। এসময় শফিকুর রহমান প্রতিশ্রুত দেন, নির্বাচনে জয়ী হলে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে। তিনি বলেন, ‘ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় অর্জিত হলে, সেই সরকারে নাহিদ ইসলামকে একজন মন্ত্রী করা হবে’। জামায়াতে ইসলামীর আমির আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তাঁরা হাতে হাত ধরে কাজ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
শফিকুর রহমান নাহিদ ইসলামকে নিয়ে আরও বলেন, নাহিদ ইসলামকে প্রার্থীতা দেওয়া হয়েছে কারণ নাহিদ ইসলামরাই বাংলাদেশ নামক উড়োজাহাজের পাইলট হবেন। তিনি মনে করেন, নাহিদ ইসলামদের মতো তরুণরা বাংলাদেশকে সঠিক পথে চালনা করতে পারে।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ, দখলদার, এবং মামলাবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে বলে মন্তব্য করেন জামায়তে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমা। তিনি বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমরা বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি, আপনারা মজলুম ছিলেন, জালিম হবেন না। মজলুমের কষ্ট তো বোঝার কথা। কিন্তু দেখা গেল, বেপরোয়া গতিতে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মামলাবাজি শুরু হয়ে গেছে।’
শফিকুর রহমান মনে করেন, জনগণ আগামী নির্বাচনে চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ, এবং দখলদারদের লাল কার্ড দেখাবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ে জনতা নিজেদের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেছিল। ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য’ উলেখ করেন তিনি।
নির্বাচিত হলে আগামীর বাংলাদেশ তরুণদের হাতে তুলে দিবেন বলে মন্তব্য করেন জামায়তের আমির। তিনি বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে বাংলাদেশের দায়িত্ব দিতে চাই। আমরা বেকার ভাতা দিতে চাই না। জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণেরা কখনো বেকার ভাতা চায়নি। তাদের দাবি ছিল, অধিকার ও ন্যায্য কাজের সুযোগ। তরুণেরা সেদিন রাস্তায় নেমে বলেছিল—আমাদের অধিকার দাও, আমাদের হাতে আমাদের ন্যায্য কাজ তুলে দাও।’
এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জামায়তে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।

