রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, যদি কোনো প্রার্থী আদালতের মাধ্যমে পুনর্গণনার নির্দেশ পেতে পারে, তাহলে ইসি সেই অনুযায়ী ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত থাকবে। তিনি বলেন, কমিশন সবসময়ই আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে গেজেট যথাসময়ে প্রকাশ করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশ করায় কোনো তড়িঘড়ি করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসি জানান, ১১ দলীয় জোটের ফলাফল পুনর্বিবেচনার দাবি অপ্রাসঙ্গিক। তবে অভিযোগকারীরা যদি আইনের দ্বারস্থ হন এবং আদালত থেকে নির্দেশ পান, তাহলে ইসি ভোট পুনর্গণনা করার সিদ্ধান্ত নেবে।
ইসি আরও বলেন, কমিশন একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করার চেষ্টা করেছে এবং তাদের কাজে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সফল হয়েছে। তিনি বলেন, সব পদক্ষেপ আইনের আওতায় নেয়া হয়েছে যাতে নাগরিকদের ভোটের মৌলিক অধিকার রক্ষিত থাকে।
একই সময়ে শেরপুর-৩ আসনকে কেন্দ্র করে ইসি এই মুহূর্তে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানান তিনি। এই আসনে জামায়তে ইসলামীর প্রার্থী ইন্তেকাল করায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
নির্বাচন পরবর্তী এই ধরনের বিতর্ক আইনগত ও রাজনৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। ১১ দলীয় জোট ও তাদের সমর্থকেরা ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়ে থাকলেও, আইনি পর্যায়ে আদালতের নির্দেশ ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত নেবে না ইসি। আদালতের সিদ্ধান্তটি সামনের দিনে নির্বাচনের প্রকৃতি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

