আম ব্যবসায় ভুয়া অর্ডারের কারণে বড় ধরনের ক্ষতির অভিযোগ তুলে জামায়তে ইসলামীর কর্মীদের দায়ী করেছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ করেন।
নিজের পোস্টে তারেক রহমান জানান, একসময় তিনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করলেও পরে জীবিকার প্রয়োজনে আমের ব্যবসায় যুক্ত হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক এফ-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তিনি এই ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। শুরুতে ক্যাশ অন ডেলিভারি পদ্ধতিতে কোনো অগ্রিম ছাড়াই পণ্য বিক্রি করতেন, ফলে অর্ডারও বেশ ভালো আসছিল। তবে এর সঙ্গে বাড়তে থাকে ভুয়া অর্ডারের সংখ্যাও।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ১০ শতাংশ অর্ডার ছিল ভুয়া, যেখানে গ্রাহকরা পণ্য গ্রহণ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতেন। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় তাকে। পরে অগ্রিম টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে অর্ডার কমে গেলেও ক্ষতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কিছু কর্মী ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া অর্ডার দিয়ে তার ব্যবসায় ক্ষতি করেছে। তিনি একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, এক গ্রাহক প্রথমে আমের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে, পরে বড় অর্ডার দিলেও শেষ পর্যন্ত তা গ্রহণ করেননি। এতে তাকে উল্লেখযোগ্য লোকসান গুনতে হয়।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি স্থানীয় থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ উভয় পক্ষকে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করে এবং আংশিক সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি মীমাংসা হয়।

