কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঁদাবাজি নয় মূল কারণ জমি নিয়ে বিরোধ বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে লক্ষ্য করে নয়, বরং নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের সাথে বিরোধের কারণে হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) গিয়াস উদ্দিন। তিনি বলেন, এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, এই ঘটনার সাথে চাঁদাবাজি বা রাজনৈতিক কোনো সূত্র নেই। এটা নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের মালিকপক্ষের সাথে পাশের জমির মালিকের বিরোধের জেরে হয়েছে। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও নিউ গিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত হওয়ায় স্টুডিওটিও হামলার শিকার হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে শনিবার রাতেই সালমান মুক্তাদির নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে স্টুডিওর ভিডিও আপলোড করেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আসবাব, যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভিডিওতে স্টুডিওর কয়েকজন কর্মীকেও কান্নারত অবস্থায় দেখা যায়। সালমান মুক্তাদির বলেন, “একটু আগে এখানে অ্যাটাক হয়েছিল…এই পুরা অ্যাটাকে আমাদের স্টুডিও ডেস্ট্রয়েড হয়ে গেছে।”
এর আগে সালমান অভিযোগ করেন, চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় সিসি ক্যামেরা, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও আসবাব ভাঙচুরের পাশাপাশি কিছু মালামাল লুট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে পুলিশের দাবি, হামলার সঙ্গে স্টুডিওকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক নেই। পুলিশের মতে, নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধের জের ধরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। এ ঘটনায় আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

